শিরোনামঃ
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ ভূঁইয়া ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

১০ হাজারের বেশি ডলার কাছে রাখা যাবে না

#
news image

দেশে ডলার সংকট চলছে। সংকট কাটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এবার নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর তা হলো- ১০ হাজার ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এক মাসের অতিরিক্ত সময় কেউ নিজের কাছে রাখতে পারবে না। এসব মুদ্রা এক মাসের মধ্যে লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি অথবা ব্যাংকে রাখতে হবে। কারো কাছে নির্দিষ্ট সময়ের পর উল্লেখিত পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা। বুধবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি বিদেশ থেকে সঙ্গে আনা অনধিক ১০ হাজার মার্কিন ডলার বা সমমূল্যমানের বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে অথবা অনুমোদিত ডিলার বা ব্যাংকে রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখতে পারেন। পরবর্তীতে বিদেশ যাত্রায় উক্ত বৈদেশিক মুদ্রা সঙ্গে নিয়েও যেতে পারেন। ১০ হাজার মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসার এক মাসের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার, ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি অথবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বাধ্যতামূলক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, নিয়ম ভেঙে বৈদেশিক মুদ্রা কাছে রাখা ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৭- এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই এমন বৈদেশিক মুদ্রা কোনো নিবাসী বাংলাদেশির নিকট থাকলে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক, লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার জন্য বলা হলো। নির্দিষ্ট সময়ের পর বৈদেশিক মুদ্রা নিবাসী ব্যক্তির নিকট পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  12:28 AM

news image

দেশে ডলার সংকট চলছে। সংকট কাটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এবার নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর তা হলো- ১০ হাজার ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এক মাসের অতিরিক্ত সময় কেউ নিজের কাছে রাখতে পারবে না। এসব মুদ্রা এক মাসের মধ্যে লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি অথবা ব্যাংকে রাখতে হবে। কারো কাছে নির্দিষ্ট সময়ের পর উল্লেখিত পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা। বুধবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি বিদেশ থেকে সঙ্গে আনা অনধিক ১০ হাজার মার্কিন ডলার বা সমমূল্যমানের বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে অথবা অনুমোদিত ডিলার বা ব্যাংকে রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখতে পারেন। পরবর্তীতে বিদেশ যাত্রায় উক্ত বৈদেশিক মুদ্রা সঙ্গে নিয়েও যেতে পারেন। ১০ হাজার মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসার এক মাসের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার, ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি অথবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বাধ্যতামূলক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, নিয়ম ভেঙে বৈদেশিক মুদ্রা কাছে রাখা ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৭- এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই এমন বৈদেশিক মুদ্রা কোনো নিবাসী বাংলাদেশির নিকট থাকলে তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক, লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার জন্য বলা হলো। নির্দিষ্ট সময়ের পর বৈদেশিক মুদ্রা নিবাসী ব্যক্তির নিকট পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।