শিরোনামঃ
অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা

টিকা না নেওয়াদের জন্য আবারও বিশেষ ক্যাম্পেইন

#
news image

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা না নেওয়াদের জন্য আবারও বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইনের আয়োজন করছে সরকার। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে। এ সময়ে প্রথম ডোজে বাদ পড়া ৩৩ লাখ এবং দ্বিতীয় ডোজে বাদ পড়া ৯৪ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল রেডিসনে আয়োজিত ‌৫-১১ বছরের শিশুদের কোভিড-১৯ টিকা কার্যক্রম বিষয়ক জাতীয় অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালিক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এখনো যারা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেননি, তাদের জন্য আরেকটি বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইনের আয়োজন করতে যাচ্ছি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরু হবে। চলবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ অবশ্যই নেবেন। দেশে এখনো প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ প্রথম ডোজের টিকা নেয়নি আর দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ।

জাহিদ মালেক বলেন, ৩ অক্টোবরের পর আমরা আর প্রথম ডোজ দিতে পারব না। দ্বিতীয় ডোজও দেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। কারণ, তখন হয়তো আমাদের কাছে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকা থাকবে না। যেগুলো থাকবে, সেগুলোরও মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। যারা এখনো প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার নেননি, তারা দ্রুত নিয়ে নিন। অক্টোবরের পরে থেকে টিকা নাও পেতে পারেন।

মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৭৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ প্রথম ডোজ, ৭১ দশমিক ৩৬ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ ও ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ মানুষকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, সরকার ইতোমধ্যে শিশুদের উপযোগী প্রায় সাড়ে চার লাখ ডোজ ফাইজার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে।

ডেঙ্গু বাড়ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত ১০/১২ হাজার লোক আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। এর বাইরেও অনেক রোগী হাসপাতালে আসেনি, সব মিলিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। সবাইকে সচেতন হতে হবে।

অনলাইন ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  11:17 PM

news image

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা না নেওয়াদের জন্য আবারও বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইনের আয়োজন করছে সরকার। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে। এ সময়ে প্রথম ডোজে বাদ পড়া ৩৩ লাখ এবং দ্বিতীয় ডোজে বাদ পড়া ৯৪ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল রেডিসনে আয়োজিত ‌৫-১১ বছরের শিশুদের কোভিড-১৯ টিকা কার্যক্রম বিষয়ক জাতীয় অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালিক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এখনো যারা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেননি, তাদের জন্য আরেকটি বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইনের আয়োজন করতে যাচ্ছি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরু হবে। চলবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ অবশ্যই নেবেন। দেশে এখনো প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ প্রথম ডোজের টিকা নেয়নি আর দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ।

জাহিদ মালেক বলেন, ৩ অক্টোবরের পর আমরা আর প্রথম ডোজ দিতে পারব না। দ্বিতীয় ডোজও দেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। কারণ, তখন হয়তো আমাদের কাছে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকা থাকবে না। যেগুলো থাকবে, সেগুলোরও মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। যারা এখনো প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার নেননি, তারা দ্রুত নিয়ে নিন। অক্টোবরের পরে থেকে টিকা নাও পেতে পারেন।

মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৭৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ প্রথম ডোজ, ৭১ দশমিক ৩৬ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ ও ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ মানুষকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, সরকার ইতোমধ্যে শিশুদের উপযোগী প্রায় সাড়ে চার লাখ ডোজ ফাইজার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে।

ডেঙ্গু বাড়ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত ১০/১২ হাজার লোক আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। এর বাইরেও অনেক রোগী হাসপাতালে আসেনি, সব মিলিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। সবাইকে সচেতন হতে হবে।