শিরোনামঃ
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ ভূঁইয়া ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

দাঁতের সুস্থতায় খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার

#
news image

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা খাবারগুলো দাঁতের জন্য কম ক্ষতিকর হওয়া উচিত। বিশেষ করে স্ন্যাকস জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে হবে ফলমূল, সবুজ ও আঁশ জাতীয় খাবার, দানা জাতীয় খাবার (যেমন বাদাম), চামড়া ছাড়া পোল্ট্রি মুরগি ও মাছ এবং কম চর্বি জাতীয় খাবার ও চর্বি ছাড়া ডেইরি জাতীয় খাবারগুলো।
♦ দাঁত ও মাড়ির জন্য ক্ষতিকর খাবার
♦ ক্যান্ডি : অতিরিক্ত চিনি থাকায় এটা শুধু এনামেলের ক্ষতিই করে না দাঁত ভেঙে যেতে পারে অথবা এনামেল উঠে যেতে পারে।
♦ বরফ : শক্ত বরফ সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া উচিত নয়। কারণ এতে দাঁত ভেঙে যেতে পারে অথবা এনামেল উঠে যেতে পারে।
♦ এসিডিক খাদ্য : এসিডিক খাদ্য, যা সাইট্রাস ফুড এনামেল ক্ষয় করে ও মুখের ঘা বেড়ে যায়। তাই বেশি করে পানি খেতে হবে।
♦ কফি ও চা মুখ শুষ্ক করে ও দাঁতে দাগ সৃষ্টি করে। তাই কফি ও চা পান করলে বেশি করে পানি পান করতে হবে।
♦ চিপস জাতীয় খাবার খাওয়ার সময় দাঁতের ফাঁকে ঢুকে গিয়ে ব্যথার কারণ হতে পারে।
♦ কার্বোনেটেড সফট ড্রিংকস সাধারণত এসিডিক হয় তাই এনামেলের ক্ষয় হতে পারে। তাই সফট ড্রিংকস খাওয়ার পর পানি খেলে দাঁতের জন্য ভালো হয়।
দাঁত ও মাড়ির জন্য উপকারী খাবার
♦ ফসফরাস আছে এমন খাদ্য যেমন : মাংস, মুরগি, মাছ, দুধ ও ডিম দাঁত গঠনের সাহায্য করে। কারণ এখানে উন্নত মানের প্রোটিন থাকে।
♦ ডেইরি ফুড যেমন : পনির, দই জাতীয় খাবারে চিনি কম থাকে তাই মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য এসব খুব ভালো খাবার।
♦ ফল ও শাকসবজি দাঁত গঠনে খুবই উপকারী। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণ পানি ও ফাইবার থাকে, যা চিনি ব্যালেন্স করে। এ ছাড়াও এসব খাবারে থুতু উৎপাদনে সহায়তা করে। এতেও দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার থাকে।
♦ বাদাম জাতীয় খাবারে শর্করার পরিমাণ কম থাকে।

পরামর্শ দিয়েছেন ডা. অনুপম পোদ্দার সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান পেরিওডন্টোলজি অ্যান্ড ওরাল প্যাথলজি বিভাগ ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল।

অনলাইন ডেস্ক

২৫ অক্টোবর, ২০২২,  10:52 PM

news image

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা খাবারগুলো দাঁতের জন্য কম ক্ষতিকর হওয়া উচিত। বিশেষ করে স্ন্যাকস জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে হবে ফলমূল, সবুজ ও আঁশ জাতীয় খাবার, দানা জাতীয় খাবার (যেমন বাদাম), চামড়া ছাড়া পোল্ট্রি মুরগি ও মাছ এবং কম চর্বি জাতীয় খাবার ও চর্বি ছাড়া ডেইরি জাতীয় খাবারগুলো।
♦ দাঁত ও মাড়ির জন্য ক্ষতিকর খাবার
♦ ক্যান্ডি : অতিরিক্ত চিনি থাকায় এটা শুধু এনামেলের ক্ষতিই করে না দাঁত ভেঙে যেতে পারে অথবা এনামেল উঠে যেতে পারে।
♦ বরফ : শক্ত বরফ সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া উচিত নয়। কারণ এতে দাঁত ভেঙে যেতে পারে অথবা এনামেল উঠে যেতে পারে।
♦ এসিডিক খাদ্য : এসিডিক খাদ্য, যা সাইট্রাস ফুড এনামেল ক্ষয় করে ও মুখের ঘা বেড়ে যায়। তাই বেশি করে পানি খেতে হবে।
♦ কফি ও চা মুখ শুষ্ক করে ও দাঁতে দাগ সৃষ্টি করে। তাই কফি ও চা পান করলে বেশি করে পানি পান করতে হবে।
♦ চিপস জাতীয় খাবার খাওয়ার সময় দাঁতের ফাঁকে ঢুকে গিয়ে ব্যথার কারণ হতে পারে।
♦ কার্বোনেটেড সফট ড্রিংকস সাধারণত এসিডিক হয় তাই এনামেলের ক্ষয় হতে পারে। তাই সফট ড্রিংকস খাওয়ার পর পানি খেলে দাঁতের জন্য ভালো হয়।
দাঁত ও মাড়ির জন্য উপকারী খাবার
♦ ফসফরাস আছে এমন খাদ্য যেমন : মাংস, মুরগি, মাছ, দুধ ও ডিম দাঁত গঠনের সাহায্য করে। কারণ এখানে উন্নত মানের প্রোটিন থাকে।
♦ ডেইরি ফুড যেমন : পনির, দই জাতীয় খাবারে চিনি কম থাকে তাই মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য এসব খুব ভালো খাবার।
♦ ফল ও শাকসবজি দাঁত গঠনে খুবই উপকারী। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণ পানি ও ফাইবার থাকে, যা চিনি ব্যালেন্স করে। এ ছাড়াও এসব খাবারে থুতু উৎপাদনে সহায়তা করে। এতেও দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার থাকে।
♦ বাদাম জাতীয় খাবারে শর্করার পরিমাণ কম থাকে।

পরামর্শ দিয়েছেন ডা. অনুপম পোদ্দার সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান পেরিওডন্টোলজি অ্যান্ড ওরাল প্যাথলজি বিভাগ ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল।