শিরোনামঃ
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ ভূঁইয়া ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

ইউক্রেন যুদ্ধের নিন্দা জানাল এপেকের বেশিরভাগ দেশ

#
news image

প্রতিবেশি ইউক্রেনে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হামলা চালায় রাশিয়া। রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলমান এ যুদ্ধ নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বিশ্ব। এক পক্ষ সরাসরি রাশিয়ার সমালোচনায় মুখর হয়। অন্য পক্ষ নিরপেক্ষ অবস্থান নেয়। এরমধ্যে এশিয়ার দেশগুলো নিরপেক্ষ থাকার তালিকায় নাম লেখায়।

তবে শনিবার এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সংস্থার সম্মেলন শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ জোটের বেশিরভাগ সদস্য দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের নিন্দা জানায়। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ২১ সদস্যের এ জোটের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপস্থিত ছিলেন। জোটের বেশিরভাগ দেশ এশিয়া মহাদেশের।

জোটের নেতারা বলেছেন, তারা বেশিরভাগই যুদ্ধের বিপক্ষে। কারণ এ যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী সবকিছুতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যুদ্ধের কারণে অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়েছে, মানুষ নিদারণ কষ্ট ভোগ করছে, মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।

২১ সদস্যের এ জোটে রয়েছে রাশিয়া ও চীনও। ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা করলেও এখন পর্যন্ত সরাসরি মস্কোর সমালোচনা করা থেকে বিরত থেকেছে বেইজিং।

গত সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশগুলোর জোট জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলন শেষেও ইউক্রেন আগ্রাসন নিয়ে রাশিয়ার নিন্দা জানানো হয়। এপেক শনিবার যে বিবৃতি দিয়েছে সেটির সঙ্গে জি-২০ জোটের দেওয়া বিবৃতির মিল রয়েছে। 

এপেক জোট বলেছে, যদিও এটি কোনো নিরাপত্তা জোট নয়। কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়টি অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া রাশিয়ার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভিন্ন অভিমত আছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এদিকে, রাশিয়া ও পশ্চিমাদের মধ্যে উত্তেজনা চলায় জি-২০ এবং এপিইসি জোটের সম্মেলনেও যোগ দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার বদলে ইন্দোনেশিয়ায় জি-২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। অন্যদিকে এপেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক যান উপপ্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসোভ।

অর্থনৈতিক সমন্বয়ের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত এপেক জোটের বর্তমান সদস্য বিশ্বের ২১টি দেশ। এই জোট বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩৮ শতাংশ, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬২ শতাংশ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ৪৮ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

এপেক গঠন করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, কানাডা, চিলি, চীন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউ গিনি, পেরু, ফিলিপাইন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভিয়েতনামকে নিয়ে।

অনলাইন ডেস্ক

২০ নভেম্বর, ২০২২,  12:45 AM

news image

প্রতিবেশি ইউক্রেনে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হামলা চালায় রাশিয়া। রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলমান এ যুদ্ধ নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বিশ্ব। এক পক্ষ সরাসরি রাশিয়ার সমালোচনায় মুখর হয়। অন্য পক্ষ নিরপেক্ষ অবস্থান নেয়। এরমধ্যে এশিয়ার দেশগুলো নিরপেক্ষ থাকার তালিকায় নাম লেখায়।

তবে শনিবার এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সংস্থার সম্মেলন শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ জোটের বেশিরভাগ সদস্য দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের নিন্দা জানায়। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ২১ সদস্যের এ জোটের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপস্থিত ছিলেন। জোটের বেশিরভাগ দেশ এশিয়া মহাদেশের।

জোটের নেতারা বলেছেন, তারা বেশিরভাগই যুদ্ধের বিপক্ষে। কারণ এ যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী সবকিছুতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। যুদ্ধের কারণে অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়েছে, মানুষ নিদারণ কষ্ট ভোগ করছে, মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।

২১ সদস্যের এ জোটে রয়েছে রাশিয়া ও চীনও। ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা করলেও এখন পর্যন্ত সরাসরি মস্কোর সমালোচনা করা থেকে বিরত থেকেছে বেইজিং।

গত সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশগুলোর জোট জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলন শেষেও ইউক্রেন আগ্রাসন নিয়ে রাশিয়ার নিন্দা জানানো হয়। এপেক শনিবার যে বিবৃতি দিয়েছে সেটির সঙ্গে জি-২০ জোটের দেওয়া বিবৃতির মিল রয়েছে। 

এপেক জোট বলেছে, যদিও এটি কোনো নিরাপত্তা জোট নয়। কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়টি অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া রাশিয়ার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভিন্ন অভিমত আছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এদিকে, রাশিয়া ও পশ্চিমাদের মধ্যে উত্তেজনা চলায় জি-২০ এবং এপিইসি জোটের সম্মেলনেও যোগ দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার বদলে ইন্দোনেশিয়ায় জি-২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। অন্যদিকে এপেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক যান উপপ্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসোভ।

অর্থনৈতিক সমন্বয়ের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত এপেক জোটের বর্তমান সদস্য বিশ্বের ২১টি দেশ। এই জোট বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩৮ শতাংশ, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬২ শতাংশ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ৪৮ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

এপেক গঠন করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, কানাডা, চিলি, চীন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউ গিনি, পেরু, ফিলিপাইন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভিয়েতনামকে নিয়ে।