শিরোনামঃ
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

মেসির পেনাল্টিতে ফাইনালে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

#
news image

গোলটা সেই লিওনেল মেসিই করলেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।

নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সন্ধানে মেসির আর্জেন্টিনা আজ মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্সের। শুরু থেকেই আকাশি-সাদারা ছড়ি ঘুরিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের ওপর। মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায়।

তিন ম্যাচ পর একাদশে ফেরা আনহেল ডি মারিয়া সপ্রতিভ ছিলেন শুরু থেকে। বাম পাশ দিয়েই মূলত বেশিরভাগ আক্রমণে উঠেছে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির দল। 

সেই ডি মারিয়াই ২২তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন পেনাল্টিটা। বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি শিমন মারচিনিয়াক।

পেনাল্টি নিতে ধীরপায়ে এগিয়ে আসা মেসিকে পড়তে পারেননি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক উগো লরিস। ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজের ডান পাশে, মেসি শট নেন তার বাম পাশ দিয়ে। বলটা গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পায় আর্জেন্টিনা। মেসিও পেয়ে যান তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটা।

স্পোর্টস ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর, ২০২২,  9:35 PM

news image

গোলটা সেই লিওনেল মেসিই করলেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।

নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সন্ধানে মেসির আর্জেন্টিনা আজ মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্সের। শুরু থেকেই আকাশি-সাদারা ছড়ি ঘুরিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের ওপর। মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায়।

তিন ম্যাচ পর একাদশে ফেরা আনহেল ডি মারিয়া সপ্রতিভ ছিলেন শুরু থেকে। বাম পাশ দিয়েই মূলত বেশিরভাগ আক্রমণে উঠেছে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির দল। 

সেই ডি মারিয়াই ২২তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন পেনাল্টিটা। বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি শিমন মারচিনিয়াক।

পেনাল্টি নিতে ধীরপায়ে এগিয়ে আসা মেসিকে পড়তে পারেননি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক উগো লরিস। ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজের ডান পাশে, মেসি শট নেন তার বাম পাশ দিয়ে। বলটা গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পায় আর্জেন্টিনা। মেসিও পেয়ে যান তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটা।