শিরোনামঃ
অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা

মেসির পেনাল্টিতে ফাইনালে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

#
news image

গোলটা সেই লিওনেল মেসিই করলেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।

নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সন্ধানে মেসির আর্জেন্টিনা আজ মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্সের। শুরু থেকেই আকাশি-সাদারা ছড়ি ঘুরিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের ওপর। মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায়।

তিন ম্যাচ পর একাদশে ফেরা আনহেল ডি মারিয়া সপ্রতিভ ছিলেন শুরু থেকে। বাম পাশ দিয়েই মূলত বেশিরভাগ আক্রমণে উঠেছে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির দল। 

সেই ডি মারিয়াই ২২তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন পেনাল্টিটা। বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি শিমন মারচিনিয়াক।

পেনাল্টি নিতে ধীরপায়ে এগিয়ে আসা মেসিকে পড়তে পারেননি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক উগো লরিস। ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজের ডান পাশে, মেসি শট নেন তার বাম পাশ দিয়ে। বলটা গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পায় আর্জেন্টিনা। মেসিও পেয়ে যান তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটা।

স্পোর্টস ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর, ২০২২,  9:35 PM

news image

গোলটা সেই লিওনেল মেসিই করলেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।

নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সন্ধানে মেসির আর্জেন্টিনা আজ মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্সের। শুরু থেকেই আকাশি-সাদারা ছড়ি ঘুরিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের ওপর। মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়িয়েছে প্রতিপক্ষ বিপদসীমায়।

তিন ম্যাচ পর একাদশে ফেরা আনহেল ডি মারিয়া সপ্রতিভ ছিলেন শুরু থেকে। বাম পাশ দিয়েই মূলত বেশিরভাগ আক্রমণে উঠেছে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির দল। 

সেই ডি মারিয়াই ২২তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন পেনাল্টিটা। বক্সের ভেতর তাকে ফাউল করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি শিমন মারচিনিয়াক।

পেনাল্টি নিতে ধীরপায়ে এগিয়ে আসা মেসিকে পড়তে পারেননি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক উগো লরিস। ঝাঁপিয়ে পড়েন নিজের ডান পাশে, মেসি শট নেন তার বাম পাশ দিয়ে। বলটা গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পায় আর্জেন্টিনা। মেসিও পেয়ে যান তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটা।