শিরোনামঃ
অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা

মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ

#
news image

বিএনপি নেত্রী ও ব্রিটিশ নাগরিক জেবা আমিনা আহমেদকে ঘিরে বর্তমানে এক নজিরবিহীন স্ক্যান্ডাল ও আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রধান অভিযোগটি হলো—বিদেশে থাকাকালীন প্রথম স্বামীকে আইনত তালাক না দিয়েই ২০০৫ সালে বাংলাদেশে এসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হওয়া। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ ‘হারাম’ এবং ব্যভিচারের শামিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু ধর্মীয় বিধানই নয়, দেশের প্রচলিত আইন ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি অনুযায়ী এটি ৪৯৪ ধারার অধীনে একটি গুরুতর অপরাধ। যেহেতু প্রথম বিবাহটি ব্রিটেনে আইনিভাবে নিবন্ধিত ছিল, তাই এর বিচ্ছেদও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন।

প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না ঘটানোয় মুসলিম শরীয়াহ আইনের চরম লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে এলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন বিএনপি নেত্রী জেবা আমিনা আহমেদ। এই সামাজিক ও ধর্মীয় চাপের মুখে অবশেষে দুই বছর পর ২০০৭ সালে প্রথম স্বামী নিয়াজ বিন করিমের সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। এর মাধ্যমে অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইনত ও ধর্মীয়ভাবে দুই স্বামীর সংসার করেছেন। তবে কেবল এই অবৈধ বিবাহের অভিযোগই নয়, লন্ডনে অবস্থানকালেও তিনি নানামুখী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিলেতের মাটিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক প্রতারণা ও ঋণখেলাপির অভিযোগও উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, লন্ডনে অবস্থানকালে প্রথম স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে তিনি ‘চিলড্রেন প্যারাডাইস (ইউকে)’ (কোম্পানি নং: ০৩৭৭২২৩৮) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তবে পরবর্তীতে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ঋণের অভিযোগ ওঠে এবং একপর্যায়ে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘গার্ডিয়ান’-এ তাকে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছিল।

অন্যদিকে ঢাকায় ফিরে এসে তিনি দেশের শীর্ষ আবাসন ব্যবসায়ী ও রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খানের সঙ্গে ২০০৫ সালে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে এই সংসারও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং ২০১৭ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। মোকাররম হোসেন খানের অভিযোগ, বিয়ের সময় জেবা আমিনা দাবি করেছিলেন যে তিনি প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেছেন, কিন্তু কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে জানা যায়, ২০০৭ সালে প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়। এ ঘটনায় তিনি ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং: ৩৪৬/১৭)।

মোকাররম হোসেন খানের আরও অভিযোগ, বিচ্ছেদের পর জেবা আমিনা কোম্পানি কোর্টে মামলা করে এবং ‘স্ট্যাটাস কো’ আদেশের সুযোগ নিয়ে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এলাকার একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট দখল করে রেখেছেন। নিজের দখলদারিত্ব বজায় রাখতে তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একটি ভুয়া চুক্তিপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং: ৩০(৮)১৭)।

এছাড়া মোকাররম হোসেন খান দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২৭ জুন ঈদুল আজহার ছুটিতে তিনি সপরিবারে দেশের বাইরে থাকার সময় জেবা আমিনার নির্দেশে ১০-১৫ জনের একটি দল বারিধারার বাসভবনে হামলা চালায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুরো ভবন দখল করা। তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাসায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং আলমারি ও লকার ভেঙে দামী ঘড়ি, ল্যাপটপ, মোবাইল, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে (সিআর মামলা নং: ৩৫১৬/২৫)।

জেবা আমিনার বিরুদ্ধে তার পারিবারিক সম্পত্তি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। গুলশান-২ এর ১০৮ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর প্লটে অবস্থিত ‘কনকর্ড আতিয়া’ নামে একটি ভবন তার বাবার রেখে যাওয়া পৈত্রিক সম্পত্তি বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ভবনটি নির্মাণের পর গত প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি পুরো ভবনের মালিকানা এককভাবে দখল করে রেখেছেন এবং তার তিন বোন—লাবিবা আহমেদ, দিবা আহমেদ ও আরবা আহমেদ—এবং প্রয়াত ভাইয়ের দুই সন্তান হেশাম ও হাসানের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। এমনকি অভিযোগ রয়েছে, ওই ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া দিয়ে প্রাপ্ত অর্থও তিনি একাই ভোগ করে আসছেন।

এ বিষয়ে জেবা আমিনা আহমেদ ওরফে জেবা আমিনা আলগাজী বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার মৌখিক তালাকের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। ইসলামী শরীআ অনুযায়ী কোনো নারীর তিন ইদ্দত পার হলে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে ২০০৭ সালে লন্ডনে আদালতের মাধ্যমে প্রথম স্বামীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ডিভোর্স সম্পন্ন হয় এবং এরপর সম্পদের অংশ পেতে মামলা করেন। লন্ডনে কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হয়নি; বরং ব্রিটিশ সরকার লিকুয়েডেশন করেছে। অন্যান্য সব অভিযোগ তিনি মিথ্যা বলে দাবি করেন।

 

মো: ফয়সাল আলম

০৮ মার্চ, ২০২৬,  10:27 PM

news image
জেবা আমিনা আহমেদ

বিএনপি নেত্রী ও ব্রিটিশ নাগরিক জেবা আমিনা আহমেদকে ঘিরে বর্তমানে এক নজিরবিহীন স্ক্যান্ডাল ও আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রধান অভিযোগটি হলো—বিদেশে থাকাকালীন প্রথম স্বামীকে আইনত তালাক না দিয়েই ২০০৫ সালে বাংলাদেশে এসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হওয়া। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ ‘হারাম’ এবং ব্যভিচারের শামিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু ধর্মীয় বিধানই নয়, দেশের প্রচলিত আইন ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি অনুযায়ী এটি ৪৯৪ ধারার অধীনে একটি গুরুতর অপরাধ। যেহেতু প্রথম বিবাহটি ব্রিটেনে আইনিভাবে নিবন্ধিত ছিল, তাই এর বিচ্ছেদও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন।

প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না ঘটানোয় মুসলিম শরীয়াহ আইনের চরম লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে এলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন বিএনপি নেত্রী জেবা আমিনা আহমেদ। এই সামাজিক ও ধর্মীয় চাপের মুখে অবশেষে দুই বছর পর ২০০৭ সালে প্রথম স্বামী নিয়াজ বিন করিমের সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। এর মাধ্যমে অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইনত ও ধর্মীয়ভাবে দুই স্বামীর সংসার করেছেন। তবে কেবল এই অবৈধ বিবাহের অভিযোগই নয়, লন্ডনে অবস্থানকালেও তিনি নানামুখী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিলেতের মাটিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক প্রতারণা ও ঋণখেলাপির অভিযোগও উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, লন্ডনে অবস্থানকালে প্রথম স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে তিনি ‘চিলড্রেন প্যারাডাইস (ইউকে)’ (কোম্পানি নং: ০৩৭৭২২৩৮) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তবে পরবর্তীতে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ঋণের অভিযোগ ওঠে এবং একপর্যায়ে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘গার্ডিয়ান’-এ তাকে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছিল।

অন্যদিকে ঢাকায় ফিরে এসে তিনি দেশের শীর্ষ আবাসন ব্যবসায়ী ও রিহ্যাবের সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খানের সঙ্গে ২০০৫ সালে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে এই সংসারও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং ২০১৭ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। মোকাররম হোসেন খানের অভিযোগ, বিয়ের সময় জেবা আমিনা দাবি করেছিলেন যে তিনি প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেছেন, কিন্তু কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে জানা যায়, ২০০৭ সালে প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়। এ ঘটনায় তিনি ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং: ৩৪৬/১৭)।

মোকাররম হোসেন খানের আরও অভিযোগ, বিচ্ছেদের পর জেবা আমিনা কোম্পানি কোর্টে মামলা করে এবং ‘স্ট্যাটাস কো’ আদেশের সুযোগ নিয়ে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এলাকার একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট দখল করে রেখেছেন। নিজের দখলদারিত্ব বজায় রাখতে তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে একটি ভুয়া চুক্তিপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং: ৩০(৮)১৭)।

এছাড়া মোকাররম হোসেন খান দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২৭ জুন ঈদুল আজহার ছুটিতে তিনি সপরিবারে দেশের বাইরে থাকার সময় জেবা আমিনার নির্দেশে ১০-১৫ জনের একটি দল বারিধারার বাসভবনে হামলা চালায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুরো ভবন দখল করা। তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাসায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং আলমারি ও লকার ভেঙে দামী ঘড়ি, ল্যাপটপ, মোবাইল, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে (সিআর মামলা নং: ৩৫১৬/২৫)।

জেবা আমিনার বিরুদ্ধে তার পারিবারিক সম্পত্তি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। গুলশান-২ এর ১০৮ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর প্লটে অবস্থিত ‘কনকর্ড আতিয়া’ নামে একটি ভবন তার বাবার রেখে যাওয়া পৈত্রিক সম্পত্তি বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, ভবনটি নির্মাণের পর গত প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি পুরো ভবনের মালিকানা এককভাবে দখল করে রেখেছেন এবং তার তিন বোন—লাবিবা আহমেদ, দিবা আহমেদ ও আরবা আহমেদ—এবং প্রয়াত ভাইয়ের দুই সন্তান হেশাম ও হাসানের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। এমনকি অভিযোগ রয়েছে, ওই ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া দিয়ে প্রাপ্ত অর্থও তিনি একাই ভোগ করে আসছেন।

এ বিষয়ে জেবা আমিনা আহমেদ ওরফে জেবা আমিনা আলগাজী বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে তার মৌখিক তালাকের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। ইসলামী শরীআ অনুযায়ী কোনো নারীর তিন ইদ্দত পার হলে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে ২০০৭ সালে লন্ডনে আদালতের মাধ্যমে প্রথম স্বামীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ডিভোর্স সম্পন্ন হয় এবং এরপর সম্পদের অংশ পেতে মামলা করেন। লন্ডনে কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হয়নি; বরং ব্রিটিশ সরকার লিকুয়েডেশন করেছে। অন্যান্য সব অভিযোগ তিনি মিথ্যা বলে দাবি করেন।