শিরোনামঃ
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

গায়ক ইলিয়াসের বিরুদ্ধে চার্জশিটগ্রহণ

#
news image

যৌতুকের জন্য অভিনেত্রী শাহ হুমায়রা হোসেন সুবাহকে নির্যাতনের অভিযোগে গায়ক ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে করা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। গতকাল রোববার  ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক আবেরা সুলতানা খানম এই চার্জশিট গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে মামলার চার্জ গঠনের জন্য ১৯ জুন দিন ধার্য করেন আদালত। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুমা আফ্রাদ ইলিয়াসকে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ১১ জনকে। এ মামলায় উচ্চ আদালতের ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন ইলিয়াস। আত্মসমর্পণ করে জামিন শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গত ২২ মার্চ ইলিয়াসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক জুলফিকার হায়াত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাসুমা আফ্রাদ চার্জশিটে উল্লেখ করেন, সুবাহ একজন অভিনয়শিল্পী এবং আসামি ইলিয়াস একজন কণ্ঠশিল্পী। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের পরিচয়। পরিচয়ের সূত্র ধরেই প্রেমের সম্পর্ক। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে ওই বছরের ১ ডিসেম্বর ইসলামি শরীয়া মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আসামি ইলিয়াসের চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে ১২ লাখ টাকা মূল্যের রোলেক্স ব্র্যান্ডের একটি ঘড়ি, ২৫ হাজার টাকা মূল্যের আরেকটি ঘড়ি, এক লাখ টাকার সোনার আংটি, গলার চেইনের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং বিয়ের কাপড় বাবদ দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়। এতে সন্তুষ্ট না হয়ে সুবাহর কাছে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা ও গাড়ি কেনার জন্য ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন ইলিয়াস। এ ছাড়া সুবাহর মায়ের কাছে যৌতুক হিসেবে ইউটিউব চ্যানেল কেনার জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। তখনও ইলিয়াসকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। চার্জশিটে আরও বলা হয়, সুবাহ জানতে পারেন আসামি ইলিয়াস একাধিক বিয়ে করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবাহকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন ইলিয়াস। এরপর ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর আসামি ইলিয়াস যৌতুক হিসেবে আরও ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। এর জেরে ইলিয়াস কাচের গ্লাস ভেঙে তার ভাঙা অংশ দিয়ে সুবাহকে মারতে যান। তখন সুবাহ থামাতে গেলে তার বাম হাত জখম হয়। পরবর্তী সময়ে ইলিয়াস বিষয়টি নিয়ে সুবাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে সুবাহকে প্রতিশ্রুতি দেন। পরদিন ২৮ ডিসেম্বর ইলিয়াস আবার সুবাহর কাছে ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। এতে সুবাহ অস্বীকৃতি জানালে ইলিয়াস এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি মারেন এবং চুলের মুঠি ধরে দেওয়ালের সঙ্গে ঠুকে জখম করেন। সুবাহ অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মেডিকেল সনদপত্রে সুবাহকে মারপিট করে সাধারণ জখম করার বিষয়টি প্রকাশ পায়। তদন্তকালে ইলিয়াসের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/২০০৩) এর ১১(গ) ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৯ মে, ২০২২,  9:59 PM

news image

যৌতুকের জন্য অভিনেত্রী শাহ হুমায়রা হোসেন সুবাহকে নির্যাতনের অভিযোগে গায়ক ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে করা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। গতকাল রোববার  ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক আবেরা সুলতানা খানম এই চার্জশিট গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে মামলার চার্জ গঠনের জন্য ১৯ জুন দিন ধার্য করেন আদালত। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুমা আফ্রাদ ইলিয়াসকে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ১১ জনকে। এ মামলায় উচ্চ আদালতের ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন ইলিয়াস। আত্মসমর্পণ করে জামিন শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গত ২২ মার্চ ইলিয়াসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক জুলফিকার হায়াত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাসুমা আফ্রাদ চার্জশিটে উল্লেখ করেন, সুবাহ একজন অভিনয়শিল্পী এবং আসামি ইলিয়াস একজন কণ্ঠশিল্পী। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের পরিচয়। পরিচয়ের সূত্র ধরেই প্রেমের সম্পর্ক। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে ওই বছরের ১ ডিসেম্বর ইসলামি শরীয়া মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আসামি ইলিয়াসের চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে ১২ লাখ টাকা মূল্যের রোলেক্স ব্র্যান্ডের একটি ঘড়ি, ২৫ হাজার টাকা মূল্যের আরেকটি ঘড়ি, এক লাখ টাকার সোনার আংটি, গলার চেইনের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং বিয়ের কাপড় বাবদ দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়। এতে সন্তুষ্ট না হয়ে সুবাহর কাছে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা ও গাড়ি কেনার জন্য ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন ইলিয়াস। এ ছাড়া সুবাহর মায়ের কাছে যৌতুক হিসেবে ইউটিউব চ্যানেল কেনার জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। তখনও ইলিয়াসকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়। চার্জশিটে আরও বলা হয়, সুবাহ জানতে পারেন আসামি ইলিয়াস একাধিক বিয়ে করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবাহকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন ইলিয়াস। এরপর ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর আসামি ইলিয়াস যৌতুক হিসেবে আরও ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। এর জেরে ইলিয়াস কাচের গ্লাস ভেঙে তার ভাঙা অংশ দিয়ে সুবাহকে মারতে যান। তখন সুবাহ থামাতে গেলে তার বাম হাত জখম হয়। পরবর্তী সময়ে ইলিয়াস বিষয়টি নিয়ে সুবাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে সুবাহকে প্রতিশ্রুতি দেন। পরদিন ২৮ ডিসেম্বর ইলিয়াস আবার সুবাহর কাছে ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। এতে সুবাহ অস্বীকৃতি জানালে ইলিয়াস এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি মারেন এবং চুলের মুঠি ধরে দেওয়ালের সঙ্গে ঠুকে জখম করেন। সুবাহ অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মেডিকেল সনদপত্রে সুবাহকে মারপিট করে সাধারণ জখম করার বিষয়টি প্রকাশ পায়। তদন্তকালে ইলিয়াসের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/২০০৩) এর ১১(গ) ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।