শিরোনামঃ
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

রেলপথে মৃত্যু বাড়ছে, প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি

#
news image

দেশে প্রায় প্রতিদিনই রেলপথের কোনো না কোনো জায়গা থেকে লাশ উদ্ধার হচ্ছে। জানা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল-এই ৬ বছরে সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি লাশ পাওয়া গেছে রেললাইন ও এর পাশে। এর মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। অধিকাংশই নিহত হয়েছেন দুর্ঘটনায়। লক্ষ্য করা যায়, অদূরে বিকল্প সড়ক থাকা সত্ত্বেও অনেকে অভ্যাসবশত রেললাইনের মাঝখান দিয়ে চলাচল করেন। শুধু তাই নয়, অনেকে হাঁটার সময়ও মোবাইল ফোনে কথা বলেন; কেউবা হেডফোনে গান শুনতে শুনতে রেললাইনের ওপর দিয়ে বা পাশ দিয়ে হাঁটেন। অথচ রেলওয়ে আইন অনুযায়ী রেলপথের দুই পাশে কয়েক ফুট জায়গায় চলাচলের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে, যা অনেকেই জানেন না। 
মাত্র কয়েক মিনিট সময় বাঁচানোর জন্য অনেকে দ্রুতগামী ট্রেনের সামনে দিয়ে সড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করেন। জীবন বাজি রেখে এ কাজ করতে গিয়ে অনেকেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হন। অনেকে আবার রেললাইনের পাশে পসরা সাজিয়ে বসেন। 
লক্ষ্য করা যায়, ট্রেন আসার পূর্বমুহূর্তে লাইনম্যান দু’দিকে ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা বন্ধ করে দিলেও কেউ কেউ নানা কৌশলে লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এ ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল চালকদের বেপরোয়া আচরণের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। 
দুঃখজনক হলো, অনেকে চলন্ত ট্রেনের পাশে সেলফি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে সবার সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সেলফি, টিকটক বা ভিডিও ধারণ-এসব বিষয়ে যাতে কারও বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হতে হবে। কিছু মানুষ গল্পগুজব করার জন্যও রেললাইনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা বেছে নেন। তাদের সচেতন করার উপায় কী? 
ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে হরহামেশা আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। এছাড়া দুষ্কৃতকারীরা অন্যত্র হত্যা করে লাশ ফেলে যাচ্ছে রেললাইনে। কোনো কোনো স্থানে রেললাইনের গা ঘেঁষে হকাররা নানারকম পসরা সাজিয়ে বসে মাইকের মাধ্যমে ক্রেতাদের দৃষ্ট আকর্ষণের চেষ্টা করেন। মাইকের উচ্চ শব্দে বোঝার উপায় থাকে না পাশ দিয়ে দ্রুতগামী ট্রেন যাচ্ছে। 
কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হলে অনেক অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা কমে আসবে। মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও হাটের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা হলে এ বিষয়ক বহু অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

৩১ মে, ২০২২,  9:41 PM

news image

দেশে প্রায় প্রতিদিনই রেলপথের কোনো না কোনো জায়গা থেকে লাশ উদ্ধার হচ্ছে। জানা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল-এই ৬ বছরে সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি লাশ পাওয়া গেছে রেললাইন ও এর পাশে। এর মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। অধিকাংশই নিহত হয়েছেন দুর্ঘটনায়। লক্ষ্য করা যায়, অদূরে বিকল্প সড়ক থাকা সত্ত্বেও অনেকে অভ্যাসবশত রেললাইনের মাঝখান দিয়ে চলাচল করেন। শুধু তাই নয়, অনেকে হাঁটার সময়ও মোবাইল ফোনে কথা বলেন; কেউবা হেডফোনে গান শুনতে শুনতে রেললাইনের ওপর দিয়ে বা পাশ দিয়ে হাঁটেন। অথচ রেলওয়ে আইন অনুযায়ী রেলপথের দুই পাশে কয়েক ফুট জায়গায় চলাচলের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে, যা অনেকেই জানেন না। 
মাত্র কয়েক মিনিট সময় বাঁচানোর জন্য অনেকে দ্রুতগামী ট্রেনের সামনে দিয়ে সড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করেন। জীবন বাজি রেখে এ কাজ করতে গিয়ে অনেকেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হন। অনেকে আবার রেললাইনের পাশে পসরা সাজিয়ে বসেন। 
লক্ষ্য করা যায়, ট্রেন আসার পূর্বমুহূর্তে লাইনম্যান দু’দিকে ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা বন্ধ করে দিলেও কেউ কেউ নানা কৌশলে লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এ ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল চালকদের বেপরোয়া আচরণের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। 
দুঃখজনক হলো, অনেকে চলন্ত ট্রেনের পাশে সেলফি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে সবার সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সেলফি, টিকটক বা ভিডিও ধারণ-এসব বিষয়ে যাতে কারও বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হতে হবে। কিছু মানুষ গল্পগুজব করার জন্যও রেললাইনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা বেছে নেন। তাদের সচেতন করার উপায় কী? 
ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে হরহামেশা আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। এছাড়া দুষ্কৃতকারীরা অন্যত্র হত্যা করে লাশ ফেলে যাচ্ছে রেললাইনে। কোনো কোনো স্থানে রেললাইনের গা ঘেঁষে হকাররা নানারকম পসরা সাজিয়ে বসে মাইকের মাধ্যমে ক্রেতাদের দৃষ্ট আকর্ষণের চেষ্টা করেন। মাইকের উচ্চ শব্দে বোঝার উপায় থাকে না পাশ দিয়ে দ্রুতগামী ট্রেন যাচ্ছে। 
কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হলে অনেক অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা কমে আসবে। মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও হাটের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা হলে এ বিষয়ক বহু অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়ানো সম্ভব।