শিরোনামঃ
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

হার্ট অ্যাটাক হয়েছে হায়দার হোসেনের

#
news image

‘৩০ বছর’, ‘আমি ফাইসা গেছি’, ‘আমি সরকারি অফিসার’ এমন কিছু ব্যতিক্রমধর্মী ও জনপ্রিয় গানের গায়ক ও সুরকার হায়দার হোসেন। তার গত মঙ্গলবার সকালে হাট অ্যাটার্ক হয়েছে। তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন হায়দার হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান। গতকাল বুধবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সকালের দিকে ওনার শরীরটা খারাপ হয়ে গেলে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে আসার পর ডাক্তাররা জানান ওনার সিভার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। আজকে এখন তার এনজিওগ্রাম করা হচ্ছে। এরপর তার হার্টে একটা রিং পরানো হবে।’ তিনি জানান, হায়দার হোসেনের এর আগে ২০১৬ সালে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল এবং দুটি ব্লক ধরা পড়েছিল। তখন আমেরিকার একটি হাসপাতালে তার হার্টে দুটি রিং পরানো হয়। এবার নতুন করে একটি ব্লক ধরা পড়েছে। নুসরাত জাহান বলেন, ‘তার অবস্থা একটু ক্রিটিক্যাল। দেশের সবার কাছে আপনাদের মাধ্যমে ওনার জন্য দোয়া চাই।’ হায়দার হোসেন ৯ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে ঢাকার বেগমবাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন গীতিকার, সুরকার ও গিটারিস্ট। তিনি বিমান বাহিনীতে প্রকৌশলী হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ১৯৭৯ সালের দিকে তিনি সংগীত পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি সুরকার আলম খান ও পপ সম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজ করেছেন।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০৯ জুন, ২০২২,  12:45 AM

news image

‘৩০ বছর’, ‘আমি ফাইসা গেছি’, ‘আমি সরকারি অফিসার’ এমন কিছু ব্যতিক্রমধর্মী ও জনপ্রিয় গানের গায়ক ও সুরকার হায়দার হোসেন। তার গত মঙ্গলবার সকালে হাট অ্যাটার্ক হয়েছে। তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন হায়দার হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান। গতকাল বুধবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সকালের দিকে ওনার শরীরটা খারাপ হয়ে গেলে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে আসার পর ডাক্তাররা জানান ওনার সিভার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। আজকে এখন তার এনজিওগ্রাম করা হচ্ছে। এরপর তার হার্টে একটা রিং পরানো হবে।’ তিনি জানান, হায়দার হোসেনের এর আগে ২০১৬ সালে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল এবং দুটি ব্লক ধরা পড়েছিল। তখন আমেরিকার একটি হাসপাতালে তার হার্টে দুটি রিং পরানো হয়। এবার নতুন করে একটি ব্লক ধরা পড়েছে। নুসরাত জাহান বলেন, ‘তার অবস্থা একটু ক্রিটিক্যাল। দেশের সবার কাছে আপনাদের মাধ্যমে ওনার জন্য দোয়া চাই।’ হায়দার হোসেন ৯ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে ঢাকার বেগমবাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন গীতিকার, সুরকার ও গিটারিস্ট। তিনি বিমান বাহিনীতে প্রকৌশলী হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ১৯৭৯ সালের দিকে তিনি সংগীত পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি সুরকার আলম খান ও পপ সম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজ করেছেন।