শিরোনামঃ
অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা

করোনা মোকাবিলায় ৫ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দের প্রস্তাব

#
news image

দেশে করোনা মোকাবিলায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। 
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেন, বিগত দুটি বাজেটেই কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বিপুল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতের যে কোনো জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য উভয় বাজেটেই আমরা ১০ হাজার কোটি টাকা করে থোক বরাদ্দ রেখেছিলাম। দেশে করোনা সংক্রমণ বর্তমানে অনেকটাই স্থিমিত হয়ে আসার পরও এর সম্ভাব্য পুনরাবির্ভাবের আশঙ্কা এখনও রয়ে গেছে। কারণ বিশ্বের অনেক দেশেই এখনও এ অতিমারির প্রকোপ বিরাজমান। সুতরাং কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও তজ্জনিত কারণে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সংঘটিত ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আগামী অর্থবছরেও স্বাস্থ্যখাতের জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, কোভিড-১৯ এর মতো জটিল অতিমারি মোকাবিলা, দ্রুত সাড়া দেওয়া ও নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ, গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক, কারিগরি দিক ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসসহ সব ধরনের টিকা উৎপাদনের জন্য দেশে একটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুসারে শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি গোপালগঞ্জে একটি টিকা উৎপাদন ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে যাতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। এ প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা পর্যায়ক্রমে একটি আন্তর্জাতিক মানের টিকা গবেষণা ও উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করবো যাতে টিকার জন্য আমাদেরকে বিদেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে না হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ জুন, ২০২২,  10:28 PM

news image

দেশে করোনা মোকাবিলায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। 
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেন, বিগত দুটি বাজেটেই কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বিপুল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতের যে কোনো জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য উভয় বাজেটেই আমরা ১০ হাজার কোটি টাকা করে থোক বরাদ্দ রেখেছিলাম। দেশে করোনা সংক্রমণ বর্তমানে অনেকটাই স্থিমিত হয়ে আসার পরও এর সম্ভাব্য পুনরাবির্ভাবের আশঙ্কা এখনও রয়ে গেছে। কারণ বিশ্বের অনেক দেশেই এখনও এ অতিমারির প্রকোপ বিরাজমান। সুতরাং কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও তজ্জনিত কারণে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সংঘটিত ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আগামী অর্থবছরেও স্বাস্থ্যখাতের জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, কোভিড-১৯ এর মতো জটিল অতিমারি মোকাবিলা, দ্রুত সাড়া দেওয়া ও নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ, গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক, কারিগরি দিক ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসসহ সব ধরনের টিকা উৎপাদনের জন্য দেশে একটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুসারে শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি গোপালগঞ্জে একটি টিকা উৎপাদন ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে যাতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। এ প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা পর্যায়ক্রমে একটি আন্তর্জাতিক মানের টিকা গবেষণা ও উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করবো যাতে টিকার জন্য আমাদেরকে বিদেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে না হয়।