শিরোনামঃ
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ ভূঁইয়া ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

নাদালকে বিদায় করে টিয়াফোর চমক

#
news image

ইউএস ওপেন টেনিসে কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই ঘটলো অঘটন। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিশ্বের দুই নম্বর তারকা রাফায়েল নাদালকে বিদায় করে দিয়ে শেষ আটে উঠে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফ্রান্সেস টিয়াফো। গ্র্যান্ড স্লামে টানা ১৭ জয়ের পর হারের তিক্ত স্বাদ পেলেন নাদাল।

আর্থার অ্যাশলে স্টেডিয়ামে নাদালকে চমকে দিয়ে ৩-১ সেটে ম্যাচ জিতেছেন টিয়াফো। প্রথম সেট টিয়াফো জেতেন ৬-৪ গেমে। পরের সেটে একই ব্যবধানে জিতে ঘুরে দাঁড়ান নাদাল। তবে পরের দুই সেট ৬-৪ ও ৬-৩ গেমে জিতে ম্যাচ নিজের করে নেন টিয়াফো।

এ নিয়ে নিজের ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গ্র্যান্ডস্লামের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৪ বছর বয়সী এ তরুণ তারকা। এর আগে ২০১৯ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সেরা আটে ছিলেন তিনি। তবে সেখানেই থেমে যায় তার যাত্রা।

এবার নাদালকে হারিয়ে যেনো বিশ্বাসই করতে পারছেন না নিজের সাফল্য। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় টিয়াফো বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। তিনি অবশ্যই সর্বকালের সেরাদের একজন। আমি আজকে অবিশ্বাস্য টেনিস খেলেছি। তবে সত্যি বলতে বুঝতে পারছি না কী হয়ে গেল!’

পরে সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য জানিয়েছেন, নাদালকে হারানোর জন্য নিজের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোর্টে এসেছিলেন টিয়াফো। প্রথম সেট জিতে যাওয়ার পর জয়ের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হয় তার। পরে আরও দুই সেট জিতে বিদায় করে দেন নাদালকে।

টিয়াফো বলেন, ‘বছর দুয়েক আগে হলে হয়তো নিজেকে বলতাম, নাদালের সঙ্গে খেলতে পারছি, এটাই তো দারুণ ব্যাপার। তবে আজকে আমি যখন কোর্টে যাই, আমার সঙ্গীদের দিকে তাকিয়ে বলেছি, চলো, আজকে জিতে নেওয়া যাক! আমি এখানে এসেছি ইউএস ওপেন জিততে। শেষ পর্যন্ত যেতে চাই আমি।’

অন্যদিকে বিদায় নেওয়ার পর আত্মসমালোচনার পথই বেছে নেন নাদাল, ‘এখন অনেক বিলাপ করতে পারি বা আক্ষেপ হতে পারে, তাতে চিত্র বদলাবে না। অজুহাত বের করার কিছু নেই। নিজের সমালোচনা যথেষ্ট পরিমাণে করতে হবে। সমাধান বের করার ও উন্নতি করার একমাত্র পথ এটিই।’

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  12:29 AM

news image

ইউএস ওপেন টেনিসে কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই ঘটলো অঘটন। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বিশ্বের দুই নম্বর তারকা রাফায়েল নাদালকে বিদায় করে দিয়ে শেষ আটে উঠে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফ্রান্সেস টিয়াফো। গ্র্যান্ড স্লামে টানা ১৭ জয়ের পর হারের তিক্ত স্বাদ পেলেন নাদাল।

আর্থার অ্যাশলে স্টেডিয়ামে নাদালকে চমকে দিয়ে ৩-১ সেটে ম্যাচ জিতেছেন টিয়াফো। প্রথম সেট টিয়াফো জেতেন ৬-৪ গেমে। পরের সেটে একই ব্যবধানে জিতে ঘুরে দাঁড়ান নাদাল। তবে পরের দুই সেট ৬-৪ ও ৬-৩ গেমে জিতে ম্যাচ নিজের করে নেন টিয়াফো।

এ নিয়ে নিজের ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গ্র্যান্ডস্লামের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৪ বছর বয়সী এ তরুণ তারকা। এর আগে ২০১৯ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সেরা আটে ছিলেন তিনি। তবে সেখানেই থেমে যায় তার যাত্রা।

এবার নাদালকে হারিয়ে যেনো বিশ্বাসই করতে পারছেন না নিজের সাফল্য। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় টিয়াফো বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। তিনি অবশ্যই সর্বকালের সেরাদের একজন। আমি আজকে অবিশ্বাস্য টেনিস খেলেছি। তবে সত্যি বলতে বুঝতে পারছি না কী হয়ে গেল!’

পরে সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য জানিয়েছেন, নাদালকে হারানোর জন্য নিজের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোর্টে এসেছিলেন টিয়াফো। প্রথম সেট জিতে যাওয়ার পর জয়ের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল হয় তার। পরে আরও দুই সেট জিতে বিদায় করে দেন নাদালকে।

টিয়াফো বলেন, ‘বছর দুয়েক আগে হলে হয়তো নিজেকে বলতাম, নাদালের সঙ্গে খেলতে পারছি, এটাই তো দারুণ ব্যাপার। তবে আজকে আমি যখন কোর্টে যাই, আমার সঙ্গীদের দিকে তাকিয়ে বলেছি, চলো, আজকে জিতে নেওয়া যাক! আমি এখানে এসেছি ইউএস ওপেন জিততে। শেষ পর্যন্ত যেতে চাই আমি।’

অন্যদিকে বিদায় নেওয়ার পর আত্মসমালোচনার পথই বেছে নেন নাদাল, ‘এখন অনেক বিলাপ করতে পারি বা আক্ষেপ হতে পারে, তাতে চিত্র বদলাবে না। অজুহাত বের করার কিছু নেই। নিজের সমালোচনা যথেষ্ট পরিমাণে করতে হবে। সমাধান বের করার ও উন্নতি করার একমাত্র পথ এটিই।’