শিরোনামঃ
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

পরলোকগত ছোট ভাইকে নিজের গোলটি উৎসর্গ করলেন রিতুপর্না

#
news image

দশরথ রঙ্গশালায় পাকিস্তানের বিপক্ষে বিরতির পর বদলী হিসেবেই মাঠে নেমেছিলেন বাংলাদেশ দলের ফরোয়ার্ড রিতুপর্না চাকমা। ম্যাচের ৭৭ তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার আচমকা শটের বল পাকিস্তানের গোলরক্ষক শাহিদ বুখারির মাথার ওপর দিয়ে আশ্রয় নেয় জালে। এতেই বেড়ে যায় বাংলাদেশের জয়ের ব্যবধান। ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬-০ গোলে জয়লাভ করে লাল সবুজের দল।  
কিন্তু এমন একটি গোলের পর সতীর্থরা যখন সেটি উদযাপনে ব্যস্ত, তখন ম্লান চেহারা নিয়ে রিতুপর্না হাতজোড় করে তাকিয়ে ছিলেন আকাশের দিকে। ম্যাচ শেষে তার এমন আচরণের কারণ জানা যায়নি, কারণ দলের সঙ্গে টিম হোটেল চলে গিয়েছিলেন তিনি।
তবে আজ আর্মি হেডকোয়ার্টার মাঠে দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেয়ার পর তার সঙ্গে কথা হয় গণমাধ্যম কর্মীদের। প্রথমেই তার এমন বিষন্ন উদযাপনের কারণ জানতে চাইলে রিতুপর্না চোখের জল আর সংবরণ করতে পারেননি। চোখ মুছতে মুছতেই তিনি বলেন,‘ আমর প্রয়াত ভাই পার্বন চাকমাকে গোলটি উৎসর্গ করেছিলাম। তাই ওই সময় সৃষ্টিকর্তার কাছে ওর জন্য প্রার্থনা করলাম। সে এখন আর আমাদের মাঝে নেই। আমার ওই ছোট ভাই সব সময় আমার খেলা দেখতো। ভাল খেললে আমাকে অভিনন্দন জানাতো। খেলা খারাপ হলে কোথায় সমস্যা তাও জানিয়ে দিতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে সেই ভাইকে খুব মনে পড়েছিল। আমার ভাইকে সব সময় মনে পড়ে।’
পরিবারে চার বোনের একমাত্র ভাই ছিল পার্বন চাকমা। বোনের খেলা নিয়ে তার ছিল অনেক উৎসাহ। গত ৩০ জুন রাঙামাটির কাউখালিতে সেচপাম্প ঠিক করতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যায় পার্বন চাকমা। ভাইকে হারানোর পর প্রথম কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলতে দেশের বাইরে এসেছেন রিতুপর্ণা চাকমা। তিনি বলেন, ‘ভাই আমার খেলা দেখার জন্য পাগল থাকতো। আমাকে নিয়ে গর্ব করতো। আমার সব খেলা দেখতো। আমার কত আদরের ভাই ছিল, তা বলে বুঝাতে পারবো না। কিন্তু সেই ভাই আজ নেই। ওর জন্য আজও আমি কাঁদি। মনের অজান্তেই চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। আমি কোনদিন ভাইকে ভুলতে পারবো না।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার পরেই নিজের ফেসবুক পেইজে স্ট্যাটাস দেন রিতুপর্না। সেখানে তিনি ভাইকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন,‘ আজকের এই গোলটা তোকে উৎসর্গ করলাম। তুই থাকলে হয়তো দেখতে পারতি। খুব মিস করছি তোকে। ওপারে ভালো থাাকিস ভাই আমার।’

প্রভাতী খবর ডেস্ক

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:34 PM

news image

দশরথ রঙ্গশালায় পাকিস্তানের বিপক্ষে বিরতির পর বদলী হিসেবেই মাঠে নেমেছিলেন বাংলাদেশ দলের ফরোয়ার্ড রিতুপর্না চাকমা। ম্যাচের ৭৭ তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার আচমকা শটের বল পাকিস্তানের গোলরক্ষক শাহিদ বুখারির মাথার ওপর দিয়ে আশ্রয় নেয় জালে। এতেই বেড়ে যায় বাংলাদেশের জয়ের ব্যবধান। ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬-০ গোলে জয়লাভ করে লাল সবুজের দল।  
কিন্তু এমন একটি গোলের পর সতীর্থরা যখন সেটি উদযাপনে ব্যস্ত, তখন ম্লান চেহারা নিয়ে রিতুপর্না হাতজোড় করে তাকিয়ে ছিলেন আকাশের দিকে। ম্যাচ শেষে তার এমন আচরণের কারণ জানা যায়নি, কারণ দলের সঙ্গে টিম হোটেল চলে গিয়েছিলেন তিনি।
তবে আজ আর্মি হেডকোয়ার্টার মাঠে দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেয়ার পর তার সঙ্গে কথা হয় গণমাধ্যম কর্মীদের। প্রথমেই তার এমন বিষন্ন উদযাপনের কারণ জানতে চাইলে রিতুপর্না চোখের জল আর সংবরণ করতে পারেননি। চোখ মুছতে মুছতেই তিনি বলেন,‘ আমর প্রয়াত ভাই পার্বন চাকমাকে গোলটি উৎসর্গ করেছিলাম। তাই ওই সময় সৃষ্টিকর্তার কাছে ওর জন্য প্রার্থনা করলাম। সে এখন আর আমাদের মাঝে নেই। আমার ওই ছোট ভাই সব সময় আমার খেলা দেখতো। ভাল খেললে আমাকে অভিনন্দন জানাতো। খেলা খারাপ হলে কোথায় সমস্যা তাও জানিয়ে দিতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে সেই ভাইকে খুব মনে পড়েছিল। আমার ভাইকে সব সময় মনে পড়ে।’
পরিবারে চার বোনের একমাত্র ভাই ছিল পার্বন চাকমা। বোনের খেলা নিয়ে তার ছিল অনেক উৎসাহ। গত ৩০ জুন রাঙামাটির কাউখালিতে সেচপাম্প ঠিক করতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যায় পার্বন চাকমা। ভাইকে হারানোর পর প্রথম কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলতে দেশের বাইরে এসেছেন রিতুপর্ণা চাকমা। তিনি বলেন, ‘ভাই আমার খেলা দেখার জন্য পাগল থাকতো। আমাকে নিয়ে গর্ব করতো। আমার সব খেলা দেখতো। আমার কত আদরের ভাই ছিল, তা বলে বুঝাতে পারবো না। কিন্তু সেই ভাই আজ নেই। ওর জন্য আজও আমি কাঁদি। মনের অজান্তেই চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। আমি কোনদিন ভাইকে ভুলতে পারবো না।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার পরেই নিজের ফেসবুক পেইজে স্ট্যাটাস দেন রিতুপর্না। সেখানে তিনি ভাইকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন,‘ আজকের এই গোলটা তোকে উৎসর্গ করলাম। তুই থাকলে হয়তো দেখতে পারতি। খুব মিস করছি তোকে। ওপারে ভালো থাাকিস ভাই আমার।’